হোয়াইট হাউসে নির্মাণাধীন বলরুমের (বড় নাচের ঘর) নাম নিজের নামে রাখতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে তার প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলরুমটিকে ‘দ্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প বলরুম’ হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। তাদের ধারণা, এই নামটিই স্থায়ীভাবে ঘোষণা করা হবে।
এবিসি নিউজের খবরে বলা হয়, হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং (পূর্ব দিকের অংশ) ভেঙে ৩০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে ওই বলরুম নির্মাণ করছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমনকি বলরুমটির সাজসজ্জায় অতিরিক্ত ৫০ মিলিয়ন ডলার বাজেট রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
অবশ্য তিনি এখনো প্রকাশ্যে বলরুমের আনুষ্ঠানিক নামকরণ করেননি। তবে এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের অতীত ইতিহাস বলছে, নিজের শাসনামলে যেসব প্রকল্প তিনি হাতে নিয়েছেন, তার বেশিরভাগই নিজর নামে নামকরণ করেছেন। এক্ষেত্রে বলরুমটিও ব্যতিক্রম নয়।

গত বৃহস্পতিবার এবিসি নিউজের চিফ হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্ট (সাংবাদিক) মেরি ব্রুস তাকে বলরুমটির নাম জিজ্ঞেস করলে ট্রাম্প হেসে জবাব দেন, ‘এ নিয়ে এখনই কিছু বলব না।’
হোয়াইট হাউসে এটিই ট্রাম্পের শেষ মেয়াদ। কাজেই স্থায়ীভাবে প্রেসিডেন্ট ভবনে নিজের নাম রেখে যাওয়ার এমন সুবর্ণ সুযোগ তিনি হারাতে চাইবেন না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
হোয়াইট হাউসের নতুন ছবিতে দেখা যায়। ট্রাম্পের ৯০ হাজার বর্গফুটের বলরুমের জন্য হোয়াইট হাউসের পুরো ইস্ট উইং-ই ভেঙে ফেলা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এবিসি নিউজকে জানান, বলরুম প্রকল্পের জন্য ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান এরইমধ্যে আলাদা করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট বলরুমটির জন্য এত ইতিবাচক ও ব্যাপক সমর্থন পেয়েছেন যে তিনি এখনো অনুদান পাচ্ছেন। সবাই চাচ্ছে হোয়াইট হাউসে একটি অত্যাধুনিক ও বিলাসবহুল বলরুম থাকুক।’
এই বলরুমের পেছনে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে কত টাকা অনুদান দিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ওহ, মিলিয়ন ডলার… আমি অনেক টাকা দেই। জানেনই তো, আমি আমার পুরো বেতনটাই হোয়াইট হাউসে দিয়ে দেই এবং আমি পুরো অর্থ হোয়াইট হাউসে দিতে ভালোবাসি, কারণ এই বাড়িটা কিছুটা অবহেলিত।’


