দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৬৮ জন। এর মধ্যে পরীক্ষা করে হাম নিশ্চিত করা হয়েছে ৮১ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র শুক্রবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে ৮ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ৯ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম উপসর্গের রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৩ জনে। নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২২ হাজার ১৯৭ জনের। হাম উপসর্গে মৃত্যু ১ হাজার ৪৩ ও নিশ্চিত হামে মৃত্যু ১০৪।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৫২ জন, সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ১ হাজার ২৫ জন। ১৫ মার্চ থেকে মোট ভর্তি ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৭০৫ জন।
বিভাগওয়ারি হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৫৭ হাম উপসর্গ রোগী শনাক্ত হন, নিশ্চিত রোগী ৬০ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে উপসর্গ রোগী ২৭৪, নিশ্চিত ৯। সিলেটে উপসর্গ ১৫১, নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু।
বরিশাল বিভাগে উপসর্গ ১২৪, এই বিভাগে উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু। খুলনা ১১৬, ময়মনসিংহ ৮৪, রাজশাহী ৪৩, রংপুর ১৯ জন উপসর্গ রোগী শনাক্ত হন। রংপুরে নিশ্চিত হাম ১২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার ১১৪ দশমিক ৫ শতাংশ টিকা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জনের বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ২ কোটি ৬ লাখ ১৯ হাজার ৩৭৬ জন।
বিভাগভিত্তিক টিকাদানের হার: চট্টগ্রাম ১১৭ দশমিক ১ শতাংশ, ঢাকা ১১৫ দশমিক ৪, ময়মনসিংহ ১১৯ দশমিক ২, রাজশাহী ১১২ দশমিক ৯, রংপুর ১১৪ দশমিক ৪, বরিশাল ১১১, খুলনা ১০৯ দশমিক ৬, সিলেট ১০৯ দশমিক ৩ শতাংশ।
সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদানের হার ১১৪ শতাংশ। ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে টিকা পেয়েছেন ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৭১৯ জন।


