হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
ছবি: জান্নতুল ফেরদাউস/টাইমস
Advertisement
Advertisement

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯৭ জনে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৫৬ জন সন্দেহজনক এবং ৬০ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের (হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম) সোমবারের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত তিনজন সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।

দেশে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৫৬ জন। এ সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগে ৮৯৭ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৭০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৩১ জন।

আরও পড়ুন

বিভাগভিত্তিক হিসাবে সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। এ বিভাগে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৭১ হাজার ১৯৪ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ৪০৩ জন।

চট্টগ্রাম বিভাগে ৩২ হাজার ৪৬০ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত ও ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশালে ১৮ হাজার ৯৭ জন রোগী শনাক্তের বিপরীতে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের। সিলেটে ১২ হাজার ৫৫৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মারা গেছেন ১৫৫ জন।

এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৯ হাজার ৯২১ জন সন্দেহজনক রোগী ও ৯২ জনের মৃত্যু, ময়মনসিংহে ৭ হাজার ৯৫১ জন রোগী ও ৭৫ জনের মৃত্যু, খুলনায় ১০ হাজার ৭০৯ জন রোগী ও ৩৭ জনের মৃত্যু এবং রংপুরে ২ হাজার ৯১৭ জন রোগী ও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ডিএইচআইএস২ ও ইপিআই সার্ভিল্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৯৭ লাখ ২৯ হাজার ৫১০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এতে টিকাদানের হার দাঁড়িয়েছে ১০৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। এর বিপরীতে টিকা পেয়েছে ২০ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬ জন শিশু, যা ১০৮ দশমিক ৫ শতাংশ কাভারেজ।

সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে গাজীপুরে সর্বোচ্চ ১১৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১২ দশমিক ৪ শতাংশ টিকাদান হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর