টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের টিকার পরিবর্তে শিশুকে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনতিবিলম্বে ওই শিশুর যথাযথ চিকিৎসা করাতে সরকারের প্রতিও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়। রুলে ওই শিশুর পরিবারকে কেন ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ল’এন্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে এ রিট করা হয়। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের টিকার পরিবর্তে এক মাস বয়সী শিশুকে জলাতঙ্কের (কুকুর) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিদর্শক মোহাম্মদ কাইয়ুম ওই শিশুকে এই ভ্যাকসিন দেন।
জানা গেছে, দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার ছাব্বিশা গ্রামের মৌ খাতুন বুধবার দুপুরে তার এক মাস ৫ দিন বয়সী শিশু ফাতিহাকে হামের টিকা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকা কেন্দ্রে নিয়ে যান।
এ সময় সেখানে দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ কাইয়ুম হামের টিকার পরিবর্তে ওই শিশুকে দুই ডোজ জলাতঙ্কের র্যাবিস ভ্যাকসিন দেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ কাইয়ুম বলেন, ‘ভুলবশত হামের টিকার পরিবর্তে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এটা অনিচ্ছাকৃত ভুল।’


