২০২৬ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করা ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজীকে সৌদি পর্বে অব্যয়িত ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেবে সরকার।
রোববার দুপুরে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ) এমপি। এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার ও ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কয়েকজন হাজীর হাতে অব্যয়িত অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তিনটি প্যাকেজের হাজীরা ভিন্ন অঙ্কের টাকা ফেরত পাবেন। কাবা শরিফ থেকে হোটেলের দূরত্ব ও হোটেল সিট আপগ্রেডেশনের ভিত্তিতে অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। টাকা হাজীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। তবে যেসব হাজীর চিকিৎসা ব্যয় স্বাস্থ্য বীমার নির্ধারিত সীমার বেশি হয়েছে, তারা অব্যয়িত অর্থ পাবেন না।
ধর্মমন্ত্রী জানান, প্রথম প্যাকেজের হাজীরা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮০ হাজার ৫৭২ টাকা ৭১ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ৩৮ হাজার ৬৯৭ টাকা ৩২ পয়সা ফেরত পাবেন। দ্বিতীয় প্যাকেজে সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার ৭১৩ টাকা ৯৪ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ২ হাজার ৫০৫ টাকা ৪৯ পয়সা ফেরত দেওয়া হবে। তৃতীয় প্যাকেজের প্রত্যেক হাজী ৩ হাজার ৭১৮ টাকা ৯ পয়সা করে পাবেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিবিড় মনিটরিংয়ের কারণে এ বছর হজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি আল্লাহর বিশেষ রহমত যে অর্থ অব্যয়িত থেকেছে এবং আমরা সে অর্থ ফেরত দিতে পারছি।’
সরকার আরও কম খরচে হজ সম্পন্ন করার বিষয়ে চিন্তা করছে বলেও জানান ধর্মমন্ত্রী। আগামী বছরের হজেও সততা ও দায়িত্বশীলতার এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
এদিকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়ার নজির নেই বলে ক্ষোভ জানিয়েছেন ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। তিনি বলেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পরিচালনাকারীরা অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেন না।


