বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন আবারও পিছিয়েছে। নতুন করে আগামী ৬ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছে আদালত।
রোববার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মশিউর রহমান প্রতিবেদনটি দাখিল করতে পারেননি। পরে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মাঝহারুল ইসলাম।
এ নিয়ে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে তদন্ত সংস্থা ৪৩ বার সময় পেল।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৪ জুলাই ঢাকা থেকে ১৬ জনের একটি দল আটটি মোটরসাইকেলে করে মুন্সীগঞ্জের মৈনট ঘাটে বেড়াতে যায়। রাতে পদ্মা নদীর তীরে গিয়ে পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন সানি। পরদিন দুপুরে ঘটনাস্থলের পাশ থেকে ফায়ার সার্ভিস তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সানিকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে ওই রাতেই তার বড় ভাই হাসানুজ্জামান মামলা করেন। এতে সানির ১৫ সফরসঙ্গীকে আসামি করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হলেও বর্তমানে সবাই জামিনে রয়েছেন।
আসামিরা হলেন—শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, রুবেল, সজীব, নুরজামান, নাসির, মারুফ, আশরাফুল আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, নোমান, জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মারুফুল হক মারুফ ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু।
মামলাটি শুরু থেকেই কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন। দীর্ঘ সময়েও তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সানির পরিবার।


