জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ প্রাপ্ত কলের তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকা থেকে দুইটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ মো. মঞ্জুরুল ইসলাম (৪৪) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলবার, ৯ রাউন্ড তাজা গুলি ও ৩ রাউন্ড ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কদমতলী থানাধীন শনিরআখড়া নুরপুর এলাকায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৪-৫ জনের একদল সন্ত্রাসী মো. আসলাম খানের (৩৮) ‘মেসার্স লাকি ক্রোকারিজ’ দোকানে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে দোকান মালিক আসলাম খানের ডান চোয়াল ও বাম হাতের বাহুতে গুলি লেগে তিনি মারাত্মকভাবে জখম হন।
গুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে সন্ত্রাসী মঞ্জুরুল ইসলামকে হাতেনাতে আটক করে এবং রক্তাক্ত অবস্থায় আসলাম খানকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় এক বাসিন্দা ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে দ্রুত পুলিশি সহায়তা চান। কলটি গ্রহণ করেন কলটেকার কনস্টেবল পিয়াস চন্দ্র পাল এবং তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন ৯৯৯ পুলিশ ডিসপাচার এএসআই কাজল ভূঁইয়া।
সংবাদ পাওয়া মাত্রই কদমতলী থানার এসআই অশোক কুমার সরকার সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয়দের সহায়তায় একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলবার ও গুলিসহ আসামিকে হেফাজতে নেন।
গ্রেপ্তারকৃত মঞ্জুরুল ইসলাম শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার ইছাপাশা গ্রামের মৃত শুক্কুর আলী বেপারীর ছেলে। তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় মৌচাক এলাকায় বসবাস করছিলেন।
এ ঘটনায় কদমতলী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অপরাধে জড়িত বাকি সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


