হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো আনিসুল-পলককে

হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো আনিসুল-পলককে
ছবি কোলাজ: টাইমস
Advertisement
Advertisement

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মামুন (২৫) নামে এক ড্রাইভারকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে ফের গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী ড্রাইভার মামুনের বাম চোখ গুলিতে নষ্ট হয়ে যায়।

রোববার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন এসব তথ্য জানান।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হুসাইন এ মামলায় আনিসুল হক ও পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আনিসুল হক ও জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে অন্য একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তারা তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ মামলার তদন্তে তাদের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

রোববার শুনানিতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ অন্য আইনজীবীরা গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের বিরোধিতা করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী শামছুদ্দোহা সুমন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সকাল ৯টা থেকে বাদী মামুন বন্ধু হোসেন, খোকন, আরিফসহ অনেকের সঙ্গে যাত্রাবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন। ওই দিন বিকাল ৩টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ফ্লাইওভারের ওপর অবস্থানকালে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়।

এ সময় মামুনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বাম চোখে ও মাথায় গুলি লাগে। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে যাত্রাবাড়ীর কাজলা ইসলামিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার বাম চোখের অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসার একপর্যায়ে তার বাম চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad