স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, জ্বালানি ও পর্যটন খাতে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। তিনি উল্লেখ করেন, জনশক্তি রপ্তানির পাশাপাশি জ্বালানি ও পর্যটন খাতে সৌদি বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ নিতে হবে।
বৈঠকে সৌদি আরবে বসবাসরত প্রায় ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যুর বিষয়টিও আলোচনায় আসে। রাষ্ট্রদূত এ প্রক্রিয়া দ্রুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় নথি ও যাচাই-বাছাই শেষে ইতোমধ্যে ২২ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। এ বিষয়ে বিশেষ টিম কাজ করছে এবং প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, যেসব মিয়ানমার নাগরিক বৈধ ডকুমেন্টস ও শর্ত পূরণ করেছে, তাদের দ্রুত পাসপোর্ট দিতে হবে। একই সঙ্গে সৌদি আরব থেকে পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিয়ে পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ করে জানান, আগামী জুলাই মাসের প্রথমার্ধে তিনি সৌদি আরব সফর করতে পারেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


