জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক দিলারা হাফিজের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান অংশ নেন।
এর আগে দুপুর ১২টা থেকে পৌনে ১টা পর্যন্ত সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দিলারা হাফিজের মরদেহ রাখা হয়। কফিনে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পক্ষে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন রাষ্ট্রপ্রধানের কার্যালয়ের সচিব খান মো. নূরুল আমীন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

এরপর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল আলাদাভাবে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনির নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানান হুইপ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, রুহুল কুদ্দস তালুকদার দুলু, আখতারুজ্জামান মিয়া ও এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। সচিব কানিজ মওলার নেতৃত্বে সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারাও প্রয়াতের কফিনে ফুল দেন। এ ছাড়া সরকারি দল বিএনপির তরফে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এর আগে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান, সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য রাখেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তার সহধর্মিণীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া চান।
জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান ছাড়াও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।
দিলারা হাফিজকে বনানীর সামরিক কবরস্থানে দাফন
ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জোহর দিলারা হাফিজের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দিলারা হাফিজ। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।


