সাবেক সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন ও তার স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম। এ ছাড়া আব্দুস সোবহানের আয়কর নথি জব্দের আবেদন করেন সহকারী পরিচালক মো. মাহবুব মোর্শেদ।
এ ছাড়া তার নামে ১২টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৬ কোটি ৫৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭১ টাকা জমা ও ৬ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার ৯৯৬ টাকা তোলাসহ অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার মূল আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।
ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী মোনালিসা ইসলামের আয়কর নথি জব্দের আবেদনে বলা হয়, তাদের বিরুদ্ধে একে অপরের সহযোগিতায় অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব ও আর্থিক সহায়তায় জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৪ কোটি ৫ লাখ ৯৩২ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি সৈয়দা মোনালিসা ইসলামের মূল আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র বা তথ্যসমূহ জব্দ করা প্রয়োজন।


