শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের বেসরকারি স্কুল ও কলেজে সভাপতির দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা তাদের প্রতিনিধি দেওয়ার নির্দেশনা জারি করেছে।
শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যেসব বেসরকারি স্কুল ও কলেজে অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও এবং জেলা পর্যায়ে ডিসি বা তার প্রতিনিধি সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এই নির্দেশনা ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকাসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪’-এর অনুচ্ছেদ ৬৯ অনুযায়ী জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের রিট পিটিশন নং ১৬৭৫৭/২০১৫ মামলায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আগের নির্দেশনা তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অ্যাডহক কমিটি ও সভাপতি মনোনয়ন
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে প্রভেদ ৬৪ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটি পুনর্গঠনে ব্যর্থ হলে সর্বাধিক ছয় মাসের জন্য চার সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হবে। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত হবেন। সদস্য হিসেবে একজন শিক্ষক এবং একজন অভিভাবক থাকবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান থাকবেন সদস্য সচিব।
এ ছাড়া, সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রভেদ ৬৪-এর ৩ নম্বর ধারায় পরিবর্তন আনে। আগে ‘স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনাক্রমে’ ধারা থাকলেও নতুন প্রজ্ঞাপনে তা পরিবর্তন করে মহানগরীর ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে সভাপতি মনোনয়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী জানান, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি, খ্যাতিমান সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি অথবা সরকারি কর্মচারীদের মধ্য থেকে তিন জনের একটি তালিকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে পাঠাবেন।


