মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে দাম কমার পর দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কমেছে।
সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার দাম ভরিতে কমেছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায় এই দাম কমানো হয়েছে।
গত কয়েক দিনে বিশ্ববাজারে সোনার দামের পতন হয়েছে। তবে, বিশ্ববাজারে দাম নিম্নমুখী থাকলেও ঈদের ছুটির কারণে দেশের বাজারে এতোদিন সোনার দর সমন্বয় করেনি জুয়েলার্স সমিতি।
ছুটি শেষে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর এক জরুরি সভায় সোনার এ নতুন দামের কথা জানানো হয়, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ৫ হাজার ১৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৪৯০ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ৩ হাজার ৬১৬ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে গয়নার বেলায় বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
এর আগে গত ১৯ মার্চ দুই দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ১৫ হাজার ৩৩৮ টাকা কমানো হয়।
সোনার দাম কমলেও কমেনি রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


