আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট বিভাগের আসনগুলোতে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সিলেট বিভাগের চার জেলার ১৯টি সংসদীয় আসনে দলের প্রায় ৮০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী অংশ নেন। বৈঠকে সবাইকে নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে নিজ নিজ আসনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচার প্রচারানা ও কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একক কোনো প্রার্থীকে দল এখনো চুড়ান্ত করেনি। কে কোন আসনে মনোনয়ন পাবেন তা যথাসময়ে ওই প্রার্থীকে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে প্রত্যাশী প্রার্থীরা জানান।
বৈঠকের উপস্থিত একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থী বলেছেন, মহাসচিব ডেকেছেন তাই বৈঠকে এসেছি। আমার প্রত্যাশার কথা বলেছি। তবে কাউকেই একক প্রার্থী এখনো চুড়ান্ত করেনি দল। বৈঠক থেকে বলা হয়েছে ধানের শীষের প্রার্থী যিনি হবেন তার পক্ষে দলের অন্যান্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। কোনো ধরনের বিভেদ কিংবা বিভাজন সৃষ্টি করা যাবে না।
সিলেট বিভাগের প্রথম সুনামগঞ্জ জেলা, পরে পর্যায়ক্রমে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব। প্রায় সবাইকে একই নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
দলের মনোনয়ন বোর্ড যাকে মনোনয়ন দেবে সেই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে হবে। সর্বশেষ ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করাতে হবে।
সূত্র জানায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৈঠকের আগে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কথা বলে বেশ কয়েকটি নিদের্শনা দিয়েছেন।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নিদের্শনা অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মহাসচিব বলেছেন, একাধিক জরিপের মাধ্যমে দল সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থীকে আগামী নির্বাচনের জন্য বাছাই করবে। সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য নেতাকেই দল মনোনয়ন দেবে।
কেউ যদি দলের নির্দেশ অমান্য করে, দলের ক্ষতি হয় এমন কোনো বিশৃঙ্খলা করে, তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোট কথা, সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অন্যথায় দল থেকে বহিস্কার করাও হতে পারে বলে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জানিয়ে দেওয়া হয়।


