সিলেট সিটি করপোরেশনের অপসারিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও তার পরিবারের সম্পদের পূর্ণ বিবরণ জমা দেওয়ার নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তবে গতবছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। ফলে রোববার সিলেট নগরীর পাঠানটুলায় তা বাড়িতে দুদকের চিঠি গ্রহণ করার মতো কাউকে পাওয়া যায়নি।
তাই বাড়ির দরজায় নোটিশটি সাঁটিয়ে দিয়ে আসেন দুদকের কর্মকর্তারা।
দুপুরে দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তিন কর্মকর্তা যান সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামানের বাড়িতে।
দুদক জানিয়েছে, আনোয়ারুজ্জামান ও তার পরিবারের সদস্যদের অবৈধ উপায়, নামে বা বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সম্পত্তির পূর্ণ বিবরণ ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দুদক কার্যালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান জানান, দুদকের পরিচালক (মানিলন্ডারিং) মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের সই করা এ বিষয়ক একটি আদেশের কপি আনোয়ারুজ্জামানের সিলেটের বাসায় পাঠানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের স্থির বিশ্বাস যে- আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জ্ঞাত আয়ের বহির্ভুত স্বনামে বা বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন।
দুদক আইন ২০০৪ এর ধারা ২৬ এর উপধারা (১) এর ক্ষমতাবলে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, তার স্ত্রী ও তার উপর নির্ভরশীলদের স্বনামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর, অস্থাবর, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে হবে।
এর মধ্যে বিবরণী জমা না দিলে কিংবা মিথ্যা বিবরণী জমা দেওয়া হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


