সিইপিজেডের ভবনে আগুনের কারণ এখনো অজানা

সিইপিজেডের ভবনে আগুনের কারণ এখনো অজানা
Advertisement
Advertisement

চার দিন পেরোলেও জানা যায়নি চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) সাততলাবিশিষ্ট একটি কারখানায় আগুন লাগার কারণ। এই ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও বেপজা আলাদা দুটি কমিটি গঠন করলেও এখনো তদন্ত কাজই শুরু হিয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক জসিম উদ্দিন টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘আগুনের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে এখনো তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেনি। কবে শুরু হবে সেটা জানি না।’

ফায়ার সার্ভিস শনিবার আগুন নেভানোর কাজ শেষ করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।’

ফায়ার সার্ভিস গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার।

তিনি টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমি রবিবার চিঠি পেয়েছি। এখনো কাজ শুরু করিনি। এই সপ্তাহের মধ্যে সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করব। বাকি সদস্য কারা আছে চিঠি দেখে বলতে হবে।’

আরও পড়ুন

অন্যদিকে সিইপিজেড কর্তৃপক্ষও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি করেছে। যে কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে এই কমিটিও তদন্ত শুরু করেনি।

এবিষয়ে জানতে সিইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক আবদুস সোবহানকে টেলিফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

গত বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিক্যাল কোম্পানির গুদামে আগুন লাগে। অ্যাডামস মূলত তোয়ালে ও ক্যাপ, আর জিহং মেডিক্যাল সার্জিক্যাল গাউন তৈরির কারখানা।

কারখানার ভবনটি সাততলা। দুটি কারখানার গুদামই সাততলায়, যেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘ প্রায় ১৭ ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস, নৌ ও বিমানবাহিনীর ২৫ টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এতে ব্যবহৃত হয় ফায়ার সার্ভিসের রোবটিক ইকুইপমেন্ট।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভবনটিতে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ ছিল। আগুন জ্বলা অবস্থাতেই ছোট ছোট বিস্ফোরণ হয়েছে। আগুন বিভিন্ন রঙ ধারণ করছিল। যা দেখে ধারণা করা হচ্ছিল বিভিন্ন রাসায়নিকের কারণে আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল।

পরে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবনটি ‘বিল্ডিং কোড’ মেনে নির্মাণ করা হয়নি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad