মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায়টি নজরে এসেছে বলে জানিয়েছে ভারত।
সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পর দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
সেখানে ভারত বলেছে, ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে তারা বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশে শান্তি, গণতন্ত্র বা স্থিতিশীলতার জন্য সব অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকার কথাও জানিয়েছে দেশটি।
ভারত যখন এই বিবৃতি দিচ্ছে, ঠিক সেই সময় বাংলাদেশে প্রবল হচ্ছে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর দাবি। গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের অন্যতম নাহিদ ইসলামও রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, এক মাসের মধ্যে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।

এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতি প্রকাশ করে। যেখানে অবিলম্বে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে হস্তান্তর করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল” কর্তৃক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঘোষিত রায়টি ভারত লক্ষ্য করেছে।’
‘ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে, যার মধ্যে সেই দেশে শান্তি, গণতন্ত্র এবং স্থিতিশীলতা অন্তর্ভুক্ত। সেই লক্ষ্যে আমরা সকল অংশীজনের সঙ্গে সব সময় গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব।’


