৩১ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারানোর পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকের ১৭০ রানের রেকর্ড জুটি। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথমদিন সেই জুটির পথেই নবম সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন শান্ত, কিন্তু ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন মুমিনুল। ইনিংসের ৭৪ তম ওভারে নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে থেমেছেন ৯১ রানে, ক্যারিয়ারের প্রথম নার্ভাস নাইন্টি তার। তবে লিটন দাস-মুশফিকুর রহিমের দৃঢ়তায় ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ।
স্কোরবোর্ডে ১০১/২ রান নিয়ে লাঞ্চ ব্রেক থেকে ফেরেন মুমিনুল-শান্ত জুটি। একপ্রান্তে শান্ত শট খেলছিলেন অনায়াসে তো অন্যদিকে মুমিনুল ছিলেন নিজের স্বভাবগত আদর্শ টেস্ট মেজাজে। দুজনের দুই ঘরানার ব্যাটিংয়ে তৃতীয় উইকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড ১৭০ রানের জুটির দেখা পায় বাংলাদেশ, যা একইসাথে সব মিলিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ। সেই জুটি ভাঙে দারুণ এক কভার ড্রাইভে ১২৯-তম বলে শান্ত নিজের নবম সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পরের বলেই। সব মিলিয়ে শেষ ৮ ইনিংসে এটি চার চতুর্থ সেঞ্চুরি এবং অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ পাঁচটি সেঞ্চুরির মালিক এখন শান্ত।
সেঞ্চুরির পরের বলে আব্বাসের ইনসুইংগারে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন শান্ত। অনফিল্ড কল নট আউট হলেও পাকিস্তান রিভিউ নেয়ার পর দেখা যায়, শান্তর প্যাডে লাগা বল সোজা আঘাত হানত মিডল-লেগ স্টাম্পে। বদলাতে হয় অনফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত। ১৩০ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১০১ রান করে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় শান্তকে।
২০০ বল খেলে ৯১ রানে ফিরেছেন মুমিনুল। ১৪ তম সেঞ্চুরি থেকে তাকে বঞ্চিত করেছেন নোমান আলী। স্কিড করে ভেতরে ঢোকা বলের লাইন মিস করে লেগ বিফোরের শিকার হয়েছেন তিনি, রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা না হওয়াতে ভাঙে তার সাথে মুশফিকের ৭৫ রানের জুটি। মুমিনুলের বিদায়ের পর মুশফিককে সঙ্গ দিয়েছেন লিটন দাস। মুশফিক অপরাজিত আছেন ৪৮ রানে, লিটন দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন ৮* রানে।


