২৮৪ রানের লক্ষ্য ছুঁতে নেমে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ব্যাট করতে হয়েছে ৪৯-তম ওভারের পঞ্চম বল পর্যন্ত। এর আগে ৪৭তম ওভারে দুটো রান আউট জমিয়ে তুলেছিল অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান লড়াই। অবশ্য জাওয়াদ আবরার-রিফাত বেগের ১৫১ রানের উদ্বোধনী জুটিতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ যায় বাংলাদেশের দিকে। দুই ওপেনারের দৃঢ়তার পর অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের ৪৭ রানের ইনিংসে দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমি গ্রাউন্ডে যুব এশিয়া কাপের ওয়ানডে সংস্করণে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জিতল বাংলাদেশ।
৭ বল আর ৩ উইকেট হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ের দিনে অবশ্য সেঞ্চুরি মিস করেছেন জাওয়াদ। ৯ চার ও ৬টি ছক্কায় ১১২ বলে ৯৬ রানে আউট হয়েছেন এই ডানহাতি ওপেনার। যদিও ছক্কার চেষ্টাতেই লং অফে খাতির স্টানিকজাইয়ের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। অবশ্য যেভাবে সামনে ঝাপিয়ে পড়ে ক্যাচ ধরেছেন এই আফগান ফিল্ডার, তাতে জাওয়াদ নিজেকে দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন।
সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর আগে অবশ্য রিফাতের সাথে ১৫১ রানের দুর্দান্ত একটা জুটি গড়েন জাওয়াদ। আফগান বোলারদের দুজন সামলেছেন দারুণ হাতে। ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৬৮ বলে ৬২ রান করেন বাঁহাতি রিফাত। রুহুল্লাহ আরবের বলে স্লগ সুইপ করে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। তিনে নামা অধিনায়ক তামিম আউট হয়েছেন ৪৪ তম ওভারে। কালাম সিদ্দিকির ব্যাট থেকে আসে ৩৬ বলে ২৯ রান। শেষ দিকে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, সামিউন বাশিররা একই ওভারে রান আউট হলে ঝুলে যায় ম্যাচের ভাগ্য। যদিও রিজান হোসেনের ঠান্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৬ রানে ওপেনার খালিদ আহমাদজাইয়ের উইকেট হারালেও ফয়সাল শিনোজাদার সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায় আফগানিস্তান। ৯৪ বলে ১০৩ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। মিডল অর্ডারে উজাইরউল্লাহর ৪৪ ও শেষ দিকে আজিজউল্লাহ মিয়াখিলের ৩৬ বলে ৩৮* রানের ইনিংসে ৭ উইকেটে ২৮৩ রান করে আফগানরা। দুটি করে উইকেট নেন ইকবাল হোসেন ইমন ও শাহরিয়ার আহমেদ।


