জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ে সংক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন।
তিনি বলেন, ‘এ রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারছি না। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাব।’
রোববার এ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণার পর তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারের হয়ে আইনি লড়াই করেন।
আইনজীবী নিপ্পন বলেন, ‘চঞ্চল চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে একটি এক্সট্রা-জুডিশিয়াল কনফেশন এসেছে। আমরা বারবার ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন করেছি, বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হোক। কিন্তু তা করা হয়নি।’
আরও পড়ুন: কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: তিন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড
তিনি দাবি করেন, চঞ্চলের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না। ১৯ জুলাই তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন সেন্টারে দায়িত্বে ছিলেন।
চঞ্চলের ভাই উৎপল চন্দ্র সরকারও অনুরূপ বক্তব্য দেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ট্রাইব্যুনালে ন্যায়বিচার পাইনি। আমরা এ রায়ে সংক্ষুব্ধ। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।’
উল্লেখ্য, এ মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে চঞ্চলকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত হলেন রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। তারা সবাই পলাতক রয়েছেন।


