রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলাটির পূর্ণাঙ্গ রায়সহ ডেথ রেফারেন্সের ৭২ পৃষ্ঠার নথি হাইকোর্টে এসেছে।
মঙ্গলবার বিকালে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আসে ডেথ রেফারেন্স নথিপত্র। এর আগে, বিচারকের সইয়ের পর মামলার ডেথ রেফারেন্স সংক্রান্ত নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজকে মামলাটির ৬৯ পৃষ্ঠা পূর্ণাঙ্গ রায় এবং ৩ পৃষ্ঠা ডেথ রেফারেন্সসহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।
কোনো মামলায় নিম্ন আদালতে আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে সাজা কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হয়। হাইকোর্টে এ ধরনের মামলা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত ও শুনানি হয়। আসামি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ও জেল আপিল করতে পারেন। সাধারণত ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের শুনানি একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আলোচিত এ মামলাটির রায় ঘোষণা করে। রায়ে প্রধান অভিযুক্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। এরপর আসামি সোহেল ও স্বপ্নাকে কনডেম সেলে নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি আসামি সোহেল রানার পাঁচ লাখ ও স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করে ট্রাইব্যুনাল। যা আসামিরা স্বেচ্ছায় না দিলে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত পূর্বক বিক্রয় করে রামিসার পরিবারকে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।


