রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসে দুই হাজারের বেশি পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ছয় প্লাটুন বিজিবি ও ১২ প্লাটুন র্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া গোয়েন্দা সংস্থা, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যরাও নিরাপত্তা কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
মঙ্গলবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি), র্যাব ও বিজিবির প্রতিনিধিদের মধ্যে এক সমন্বয় সভা শেষে এসব তথ্য জানান আরএমপি কমিশনার আবু সুফিয়ান।
তিনি বলেন, ‘ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি। ভোটগ্রহণ থেকে ফলাফল ঘোষণার পুরো প্রক্রিয়া পর্যন্ত আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখব। বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলা জায়গা ও কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও বিশেষভাবে আলোচনা হয়েছে।’
ভোটের আগে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বস্তি এলাকায় তল্লাশি চালানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আবাসিক হলেও যেন কোনো বহিরাগত অবস্থান না করতে পারে সে বিষয়েও আমরা নজরদারি করছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। এজন্য তিন বাহিনীর সঙ্গে আমাদের নিয়মিত সমন্বয় হচ্ছে। হলগুলোতে যাতে কোনো বহিরাগত না থাকে বা কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।’
নির্বাচন কমিশনের একটি টিম মাঠে থাকবে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এফ. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো প্রার্থী বা প্যানেল আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নানা আলোচনা আর অনিশ্চয়তার জন্ম দেওয়ার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাকসু নির্বাচন।


