চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথবাহিনীর হেফাজতে মৃত পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুজ্জামান ডাবলুর প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে তার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়।
জানা যায়, নিহত শামসুজ্জামান ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফিরলে আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় একই জায়গায় তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম জানাজা শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু জানান, চুয়াডাঙ্গা থেকে সেনা প্রত্যাহার কোনো সমাধান নয়; বরং বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলু হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া দেশে প্রচলিত আইন রয়েছে এবং কোনো বাহিনী আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না উল্লেখ করে অপরাধ হলে তার বিচার অবশ্যই আইন অনুযায়ী হতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গত সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ডাবলুকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাফিজ ফার্মেসি থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়। পরে পাশেই পৌর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যালয়ে নিয়ে নির্যাতন করলে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনার মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ জনতা। পরে চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্প থেকে অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনাসদস্যকে প্রত্যাহার করা হয় বলে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
এদিকে, সেনা হেফাজতে ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে জীবননগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।


