সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে এরইমধ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছেন প্রতিনিধিরা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আলোচনায় যোগ দেবেন মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান ও কাতারের প্রতিনিধিরাও।
রোববার সুইজারল্যান্ডের লুসার্নের মনোরম বুর্গেনস্টক অবকাশকেন্দ্রে এই আলোচনা শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে থাকছেন যারা
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন।

কুশনার বেশকিছুদিন ধরেই সম্ভাব্য আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডে অবস্থান করছেন। শনিবার তার সঙ্গে যোগ দেন উইটকফ। ধারণা করা হচ্ছিল তিনিই এই আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন। তবে শনিবার সুইজারল্যান্ড সফর নিশ্চিত করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। রোববার সকালে তিনি স্ত্রী ঊষা ভ্যান্সকে নিয়ে লুসার্নে পৌঁছান।
অবশ্য ভ্যান্স বলেছেন, তিনি দুই-একদিনের বেশি সুইজারল্যান্ডে অবস্থান করবেন না। বৈঠক দীর্ঘায়িত হলে উইটকফ এবং কুশনারই তাতে নেতৃত্ব দেবেন।
ইরানের প্রতিনিধি যারা
তেহরানের আলোচক দলের মধ্যে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তাদের সঙ্গে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও তেল খাতের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরানি প্রতিনিধিদল শনিবার সুইজারল্যান্ডে পৌঁছায়। এরইমধ্যে তারা সমঝোতা স্মারকের চুক্তিগুলো নিয়ে পরবর্তী আলোচনার জন্য নীতিনির্ধারণী ও করণীয় ঠিক করেছেন।
যে মধ্যস্থতাকারীরা সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন
মধ্যস্থতাকারী হিসেবে যোগ দেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের শান্তি আলোচনায় অংশ নেবেন। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে তারা রাওয়ালপিন্ডির নুর খান এয়ার বেজ থেকে বুর্গেনস্টকের উদ্দেশে রওনা হন।

তাদের সঙ্গে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরাও বৈঠকে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা এগিয়ে নিতে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক সই করেন।


