বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁয়। এদিন সকাল ৬টায় জেলায় ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
এটিই চলতি মৌসুমের এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে সর্বশেষ মঙ্গলবার সারাদেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পাওয়া যায় রাজশাহীতে, ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, টানা তিন সপ্তাহ ধরে বৈরী আবহাওয়ায় জনজীবনে প্রভাব পড়েছে। জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
জানা গেছে, কুয়াশা কম থাকলেও হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা কয়েক গুণ বেশি অনুভূত হচ্ছে। সকাল থেকেই নগর ও গ্রামাঞ্চলে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। ঠান্ডার কারণে ব্যাহত হচ্ছে ধান রোপণের কাজ। শীতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অবস্থা নাকাল। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না তারা। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন দিনমজুর ও ছিন্নমূল মানুষ।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙ্গামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশাছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারাদেশে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ৭ থেকে ৯ ডিগ্রির ভেতরে ওঠা-নামা করছে। বুধবার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। বেশিরভাগ সময় দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিলছে না।
অন্যদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, চলতি মাসে দেশে এক থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এসময় কোনো কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নেমে আসতে পারে।


