বৈধপথে আমদানি বাড়াতে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক (কাস্টমস ডিউটি) কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শুল্ক কমানোর বিষয়ে জানতে চাইলে এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাণিজ্যিকভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনের ওপর বিদ্যমান শুল্কহার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে দেশীয় সংযোজনকারী (অ্যাসেম্বলার) প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
তবে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান এক শতাংশ শুল্ক অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনবিআরের কর্মকর্তারা।
তারা বলেন, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে মোবাইল ফোন ও স্মার্টফোনের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া চলতি বছর থেকে দেশে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন ব্যবস্থা ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকর হচ্ছে।
এনবিআরের কর্মকর্তারা টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেছেন, শুল্কহার কমলে বৈধ আমদানি বাড়বে এবং বাজারে অবৈধভাবে আনা ফোনের প্রবাহ কমবে বলে তারা আশা করছেন।
এছাড়া শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনগুলো আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত বিক্রি করা যাবে। নির্ধারিত সময়ের পর অবৈধ কোনো হ্যান্ডসেটকে আর মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে দেওয়া হবে না।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ শুল্কের কারণে বৈধপথে মোবাইল ফোন আমদানি তুলনামূলকভাবে কম ছিল। নতুন শুল্ক কাঠামোর ফলে বৈধ আমদানি বাড়বে এবং বাজারে প্রতিযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন তারা।


