মিয়ানমারে সংঘাত: পালিয়ে এল রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫০ সদস্য

মিয়ানমারে সংঘাত: পালিয়ে এল রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫০ সদস্য
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: রফিক মাহমুদ/টাইমস
Advertisement
Advertisement

মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘাতের জের ধরে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ৫০ সদস্য।

রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কক্সবাজারে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে এসব রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করে। তাদের আপাতত বাংলাদেশ পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এরপর হেফাজতে নেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, দুপুরের দিকে ওপারের সংঘর্ষে টিকতে না পেরে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫০ সদস্য এবং নাফ নদীতে কাঁকড়া আহরণকারী দুই বাংলাদেশি সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

এসময় বিজিবি, ‌র‍্যাব, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী, এপিবিএন পুলিশ সদস্যরা তাদের হেফাজতে নিয়ে আসে।

এর আগে রোববার সকাল টায় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকায় সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্টি আরাকান আর্মি রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্টির মধ্যে সংঘাতের গুলিতে বাংলাদেশি এক শিশু গুরুতর আহত হয়।

আরও পড়ুন

শিশুটির নাম আফনান (৭)। সে ওই এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে।

  সময় কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক খোকন চন্দ্র রুদ্র।

শুরুতে জানা গিয়েছিল শিশুটি মারা গেছে। তবে বেলা পৌনে টার দিকে তিনি জানান, সকালে শিশুটি মারা গেছে বলা হলেও শিশুটি এখনও বেঁচে আছে। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খোকন চন্দ্র রুদ্র বলেন, রোববার সকালে টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ এলাকা সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অভ্যন্তরে বিদ্রোহী গোষ্টি আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্টির মধ্যে তীব্র সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে দুইপক্ষের মধ্যে অন্তত কয়েক ঘন্টা গোলাগুলির হয়। এক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা সীমান্তের শূণ্যরেখার দিকে পিছু হটে অবস্থা নেয়।

এতে সকাল টার দিকে আবারও উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এসময় মিয়ানমার দিক থেকে ছোঁড়া গুলি সীমান্তের বাংলাদেশি এক বসত ঘরে আঘাত হানে। এতে আফনান গুলিবিদ্ধ হয়।

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল জানান, প্রথমে শিশুটির পিতামাতাও বুঝতে না পেরে শিশুটির মৃত্যু সংবাদ প্রচার করে। পরে দেখা গেছে শিশুটি বেঁচে আছে। তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল থেকে আশংকাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর