রাত সাড়ে এগারোটা। কারওয়ান বাজারের ইডিবি ট্রেড সেন্টার ভবনের নিচে ফুটপাতে দাঁড়িয়েছিলাম। অফিসের কাজ শেষ। ক্লান্ত শরীর। এক সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলছি। অন্য আরেকজন সহকর্মী নিচে নামলেই আমরা একই গাড়িতে বাসার উদ্দেশে রওনা হব। ঢাকার রাত তখন কিছুটা শান্ত। ফুটপাতে মানুষ কম। হঠাৎ চোখের পলকে প্রচণ্ড গতিতে একটি খালি পানির বোতল এসে পড়ল ঠিক আমার পাশে।
পড়ার শব্দ আর গতি ছিল ভয়াবহ। ভবনটির ঠিক কত তলা থেকে বোতলটি ফেলা হয়েছে, অন্ধকারে বোঝা যায়নি। তবে ওপর থেকে তীব্র বেগে নেমে আসা প্লাস্টিকের বোতলটি মাত্র দুই ফুটের ব্যবধানে মাটিতে আছড়ে পড়ে। বোতলটি শরীরে লাগলে বড় ধরনের জখম হতে পারত। মাথায় পড়লে নির্ঘাত মাথা ফেটে যেত। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছি। তবে আতঙ্কটা ছিল অনেক বেশি।
এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন এমন অভিজ্ঞতা হাজারো মানুষের হচ্ছে। বহুতল ভবনের নিচ দিয়ে হাঁটার সময় এখন আর কেউ নিরাপদ বোধ করেন না। ওপর থেকে ফেলা বোতল, ময়লা, থুথু ও পানি কেড়ে নিচ্ছে মানুষের স্বাভাবিকভাবে হাঁটার অধিকার। ফুটপাতে হাঁটার সময় সারাক্ষণ মনে ভয় কাজ করে, কখন কি মাথার ওপর এসে পড়ে।
নিরাপদ ফুটপাত নাগরিক জীবনের অন্যতম মৌলিক অধিকার। ঢাকায় ওই অধিকার এখন চরম হুমকির মুখে। বহুতল ভবনের বাসিন্দারা নিচের পথচারীদের মানুষ বলে গণ্য করছেন না। নিজেদের ঘরের ও অফিসের আবর্জনা নিচে ফেলে তারা ভাবছেন দায়িত্ব শেষ। এই মানসিকতা ঢাকাকে দিনদিন বসবাসের অযোগ্য করে তুলছে।
ঢাকা শহরের বেশির ভাগ ভবনের পাশ দিয়ে ও ফুটপাত দিয়ে হাঁটা এখন চরম বিপজ্জনক। ফুটপাতে হাঁটার সময় সারাক্ষণ ওপরের দিকে তাকিয়ে থাকা সম্ভব নয়। মানুষ নিজের খেয়ালে হাঁটে। হঠাৎ ওপর থেকে পড়া জিনিসের আঘাতে প্রতিনিয়ত মানুষ আহত ও নিহত হচ্ছে।
ফুটপাত তৈরি করা হয়েছে মানুষের নিরাপদে হাঁটার জন্য। মূল সড়ক গাড়ি চলাচলের জন্য নির্ধারিত। সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে ফুটপাত ব্যবহার করেন। ওই ফুটপাত যদি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়, তবে নাগরিকরা যাবেন কোথায়? বাণিজ্যিক এলাকা হোক বা আবাসিক এলাকা, সব জায়গার চিত্র একই রকম। একটাই প্রশ্ন, মাথা বাঁচিয়ে হাঁটবেন কীভাবে?
বিল্ডিং কোড অনুযায়ী, বহুতল ভবন নির্মাণের সময় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে ভবন নির্মাণ শেষ হওয়ার পর সেখানে বসবাসকারীদের আচরণের ওপর কোনো নজরদারি থাকে না। ওপর থেকে ছুড়ে ফেলা একটা ছোট জিনিসও মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে নিচে পড়ার সময় মারাত্মক অস্ত্রের রূপ নেয়। একটি প্লাস্টিকের বোতল পাঁচ ও দশ তলা ওপর থেকে পড়লে তার আঘাতের তীব্রতা অনেক বেশি হয়। শহরের বেশির ভাগ বহুতল ভবনের নিচে সুরক্ষামূলক কোনো শেড বা ছাউনি থাকে না। এতে ওপর থেকে কিছু পড়লে সরাসরি ফুটপাতে পথচারীর মাথায় পড়ে। ফুটপাতগুলোকে নিরাপদ করতে না পারলে নাগরিক জীবন আরও বিপর্যস্ত হবে।
রাস্তা বা গলির পাশের আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনগুলো থেকে যখন-তখন ময়লা পানি, থুতু, চিপসের প্যাকেট এবং নানা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। নিচে চলমান মানুষের শরীরে সেগুলো পড়ছে। পথচারীদের পোশাক নষ্ট হচ্ছে। মন-মেজাজ খারাপ হচ্ছে। মানুষের ব্যক্তিত্ব ও আত্মসম্মানে আঘাত লাগছে।
অনেক সময় দেখা যায়, বহুতল ভবনের বারান্দা ধোয়া পানি সরাসরি এসে পড়ছে নিচের ফুটপাতে। এসি থেকে নির্গত পানি অনবরত চুইয়ে পড়ছে পথচারীদের মাথায়। আবাসিক এলাকায় রান্নার বর্জ্য, তরকারির খোসা, চায়ের পাতা ওপর থেকে প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে নিচে ফেলা সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্যিক এলাকায় বোতল, কাগজের কাপ, সিগারেটের ফিল্টার ফেলার প্রবণতা বেশি।
এই আবর্জনা সংস্কৃতি আমাদের নাগরিক দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করে। নিজের ঘর বা অফিস পরিষ্কার রাখার জন্য অন্য মানুষের শরীর ও রাস্তা নোংরা করা কোনো সভ্য আচরণ হতে পারে না। মানুষ যখন ওপর থেকে ময়লা ফেলে, তখন সে নিচের পথচারীদের অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ভুলে যায়। এই উদাসীনতা অপরাধের শামিল। নিচে চলাচলকারী মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে ওপরের বাসিন্দাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো ধমক শুনতে হয়। কোন তলা থেকে ফেলা হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করা কঠিন হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। এই পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি প্রতিনিয়ত অপরাধের মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ওপর থেকে ফেলা আবর্জনা ফুটপাতে পড়ে শুধু পথচারীদের ক্ষতি করছে না, নষ্ট হচ্ছে শহরের সামগ্রিক পরিবেশ। ঢাকা এমনিতেই দূষিত শহরের তালিকায় ওপরের দিকে থাকে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে এই যত্রতত্র ময়লা ফেলার অভ্যাস। বৃষ্টির সময় ওই ময়লাগুলো ধুয়ে ড্রেনে গিয়ে পড়ে। ড্রেন বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
পানির বোতল বা প্লাস্টিকের বর্জ্য পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করছে। ফুটপাতে পড়ে থাকা ময়লা বাতাসে উড়ে চারদিকে ছড়ায়। দুর্গন্ধ ছড়ায়। মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ায়। ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক রোগের জীবাণু ছড়াতে ওই বর্জ্যগুলো সাহায্য করে। অফিস পাড়া ও বাণিজ্যিক এলাকায় এ ধরনের নোংরা পরিবেশ বিদেশি বিনিয়োগকারী ও পর্যটকদের কাছে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে।
ঢাকার প্রায় প্রতিটি এলাকার পরিবেশের এই দশা। এটি মেনে নেওয়া যায় না। পরিবেশ পরিষ্কার রাখা শুধু পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজ নয়। প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব নিজের বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা। যতক্ষণ পর্যন্ত দায়িত্ববোধ মানুষের মধ্যে না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো পরিচ্ছন্নতা অভিযান সফল হবে না। পরিবেশ রক্ষা করতে হলে ওপর থেকে ময়লা ফেলা সবার আগে বন্ধ করতে হবে।
আমাদের দেশে এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও কঠোর আইনের বড় অভাব রয়েছে। কেউ ওপর থেকে ময়লা ফেললে বা বিপজ্জনক কিছু ছুড়ে মারলে তাকে তাৎক্ষণিক শাস্তি দেওয়ার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। কোনো পথচারী আহত ও নিহত না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ সাধারণত কোনো পদক্ষেপ নেয় না।
ফুটপাতে ময়লা ফেলা এবং ওপর থেকে জিনিস ছুড়ে মারা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার মতো দেশে যত্রতত্র ময়লা ফেললে বা ভবন থেকে কিছু নিচে ফেললে বিশাল অঙ্কের জরিমানা গুণতে হয়। এমনকি জেলের বিধানও রয়েছে। আমাদের দেশেও এমন কঠোর আইন প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি।
শুধু আইন করলেই হবে না, তার যথাযথ প্রয়োগ থাকতে হবে। ঢাকার বহুতল ভবনগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা দরকার। বিশেষ করে ভবনের বাইরের অংশ নজরদারিতে রাখা উচিত। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীকে শনাক্ত করে জরিমানার ব্যবস্থা করতে হবে। ভবন মালিক সমিতিকে এই বিষয়ে দায়িত্ব নিতে হবে। কোনো ফ্ল্যাট বা অফিস থেকে নিচে কিছু ফেলা হলে ওই ফ্ল্যাট মালিক ও অফিস কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে। আইনের ভয় না থাকলে মানুষের ভেতরের খারাপ অভ্যাস দূর করা সম্ভব নয়। প্রশাসনকে এই বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করতে হবে।
আইনের পাশাপাশি সবার সচেতনতা জরুরি। আমাদের শিক্ষার অন্যতম বড় খামতি হলো নাগরিক সচেতনতার অভাব। জিপিএ-৫ ও উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করলেও অনেকে ন্যূনতম নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে শেখেন না। শিক্ষিত মানুষরাই বড় বড় ভবন থেকে নিচে ময়লা ফেলছেন।
পারিবারিক শিক্ষা এখানে বড় ভূমিকা পালন করে। ছোটোবেলা থেকে সন্তানদের শেখানো উচিত রাস্তায় ও ফুটপাতে ময়লা ফেলা যাবে না। বহুতল ভবনের বারান্দা এবং জানালা দিয়ে কোনো কিছু বাইরে ছুড়ে মারা যাবে না। এই সাধারণ নাগরিক শিক্ষাটা সবার মধ্যে তৈরি হওয়া দরকার। স্কুল-কলেজের পাঠ্যসূচিতে নাগরিক দায়িত্ব ও পরিবেশ সচেতনতার বিষয়গুলো আরও গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা যদি মানুষকে সুনাগরিক হতে না শেখায়, তবে ওই শিক্ষার কোনো মূল্য নেই।
সচেতনতা এক দিনে তৈরি হয় না। এর জন্য দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক আন্দোলনের প্রয়োজন। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, তরুণ সমাজ ও গণমাধ্যম এই বিষয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। টেলিভিশনে, পত্রিকায় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো দরকার। ভবন থেকে নিচে কোনো কিছু ছুড়ে ফেলা যে একটি অপরাধ এবং লজ্জাজনক কাজ, এই বার্তা সবার কাছে পৌঁছাতে হবে।
বহুতল ভবনের ব্যবস্থাপনা কমিটি বা মালিক পক্ষ এই বিশৃঙ্খলা রোধে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। প্রতিটি ভবনের নিজস্ব নিরাপত্তা নীতি থাকা উচিত। ভবনের বাসিন্দাদের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মাবলি তৈরি করতে হবে। নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে আর্থিক জরিমানার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বাণিজ্যিক ভবনগুলোতে বা অফিসে পরিচ্ছন্নতাকর্মী থাকেন। তারা যেন প্রতিটি তলার বর্জ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি ডেস্কে ও ঘরের কোণে ডাস্টবিন রাখা বাধ্যতামূলক করা উচিত। ডাস্টবিন হাতের কাছে থাকলে মানুষ জানালা দিয়ে বাইরে জিনিস ফেলার কথা ভাববে না।
ভবন নির্মাণের নকশাতেও কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। ফুটপাত ঘেঁষা বহুতল ভবনগুলোর নিচের অংশে মজবুত নেট ও শেড দেওয়া যেতে পারে। এতে ভুলবশত ওপর থেকে কিছু পড়লেও তা সরাসরি ফুটপাতে পথচারীর গায়ে পড়বে না। নেটে আটকে যাবে। স্থাপত্যবিদদের এই বিষয়ে নতুন করে ভাবা উচিত। বিশেষ করে ঢাকার মতো জনবহুল শহরের জন্য ভবনের নিরাপত্তা নকশা কেমন হওয়া উচিত, তা নির্ধারণ করা দরকার। রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) ভবন অনুমোদনের সময় ফুটপাতের নিরাপত্তার বিষয়টি কঠোরভাবে যাচাই করতে পারে।
একজন নাগরিক হিসেবে ফুটপাতে নিরাপদে হাঁটার অধিকার সবার আছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে হবে, এটা কোনো সভ্য দেশের লক্ষণ হতে পারে না। আমরা কর দিই, শহরের উন্নয়নে অংশ নিই। বিনিময়ে রাষ্ট্র ও শহরের কাছ থেকে ন্যূনতম নিরাপত্তা আশা করি। ফুটপাতে হাঁটতে গিয়ে যদি প্রাণ হারাতে হয়, তবে সব উন্নয়ন অর্থহীন হয়ে পড়ে। পথচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে থাকা উচিত।
ফুটপাতকে দখলমুক্ত করার পাশাপাশি ওপরের দিক থেকেও নিরাপদ করতে হবে। নিচে হকারদের উচ্ছেদ করার পাশাপাশি ওপরের বাসিন্দাদের অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। দুই দিক থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে মানুষ ফুটপাত ব্যবহার করা ছেড়ে দেবে। এতে মূল সড়কে মানুষের চাপ বাড়বে, যানজট ও দুর্ঘটনা আরও বৃদ্ধি পাবে। নিরাপদ ফুটপাত সুন্দর ও আধুনিক শহরের পূর্বশর্ত। ঢাকাকে যদি আমরা একটি আধুনিক মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, তবে ফুটপাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়া উপায় নেই। প্রতিটি নাগরিকের জীবনের মূল্য আছে। ওই মূল্য রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সবার।
আমরা একবিংশ শতাব্দীতে বাস করছি। উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে আগে আমাদের নাগরিকদের স্মার্ট হতে হবে। মানসিকতার পরিবর্তন না হলে শুধু প্রযুক্তির উন্নয়ন দিয়ে শহরকে উন্নত করা যাবে না। ভবন থেকে নিচে কিছু ছুড়ে না ফেলার এই আন্দোলন ঘর থেকে শুরু করতে হবে। নিজেকে পরিবর্তন করলেই সমাজ পরিবর্তন হবে।
আসুন প্রতিজ্ঞা করি, ভবন থেকে নিচে কোনো কিছু ছুড়ে ফেলব না। অন্য কেউ ফেললে তার তীব্র প্রতিবাদ করব। ঢাকাকে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক শহর হিসেবে গড়ে তুলব। ফুটপাত হোক স্বস্তির জায়গা, আতঙ্কের নয়।
লেখক : সহসম্পাদক, টাইমস অব বাংলাদেশ


