গাজীপুরের কোনাবাড়িতে একটি ফ্ল্যাট থেকে নারী পোশাক শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় নিহতের স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শনিবার ভোরে বাইমাইলে নওয়াব আলী মার্কেট এলাকায় একতা টাওয়ার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত রহিমা খাতুন (৩৮) ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার আমতৈল গ্রামের কসাই ইমরান হোসেনের স্ত্রী । তিনি একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, ইমরান কসাই এর কাজ করেন। তার স্ত্রী রহিমা খাতুন ও মেয়ে শারমিনকে নিয়ে একতা টাওয়ারের ৫ম তলার ফ্ল্যাটে ভাড়ায় বসবাস করতেন।
শুক্রবার দিবাগত রাতে অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা ওই বাসায় ঢুকে ইমরান ও তার স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রহিমা খাতুনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ব্যূরো অব ইনভেস্টিগেশন পিআইপি, সিআইডিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
কোনাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘ওই নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর তার স্বামী তখনো জীবিত আছে টের পেয়ে তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মেয়ে শারমিনের (১৬) বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য না হওয়ায় তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’


