মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সোমবার পর্যন্ত ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ৫২৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৭ দিনের এই সময়ে ধারাবাহিকভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যা যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়। এরপর ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
পরবর্তী দিনগুলোতেও বাতিলের ধারা অব্যাহত থাকে। ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি এবং ১২ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়। এ ছাড়া ১৩ মার্চ ২৫টি, ১৪ মার্চ ২৬টি, ১৫ মার্চ ২৩টি এবং ১৬ মার্চ ২৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
সোমবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়া (শারজাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৮টি, গালফ এয়ার (বাহরাইন) ২টি, কাতার এয়ারওয়েজ ৪টি, এমিরেটস (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজ (কুয়েত) ৪টি, ফ্লাইদুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ফ্লাইট।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টানা ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মীরা। অনেক যাত্রী অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন এবং কেউ কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়া কঠিন হতে পারে।


