জুলাই সনদ দেশের সব রাজনৈতিক দলের দীর্ঘ আলোচনার পর প্রণীত এবং সবার সম্মতিতে স্বাক্ষরিত একটি দলিল, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম চরমোনাই পীর।
তিনি বলেন, ‘জনগণও গণভোটের মাধ্যমে এর প্রতি সম্মতি জানিয়েছে। তাই জুলাই সনদের ভিত্তিতে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা এখন আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব।’ রোববার রাতে নির্বাচনোত্তর দলীয় পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, নির্বাচনে অনেক আসনে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কোথাও এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে, কোথাও ফলাফলের শিটে কাটাকাটি করা হয়েছে, আবার অকারণে ভোট বাতিলের ঘটনাও ঘটেছে। এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে সুষ্ঠু ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটন করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘যেখানে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যাবে, সেখানে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, আশরাফ আলী আকন, মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব ইউনুস আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আব্দুল কাউয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য গোলাম মসিহ, বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অলিউল্লাহ মাহমুদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।


