ভূমিকম্পে পুরান ঢাকায় ধসে পড়া ভবনের নকশা সাতদিনের মধ্যে দাখিল করা না হলে ভবনটি সিলগালা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
শনিবার সকালে ভূমিকম্পে পুরান ঢাকায় ৩ জনের মৃত্যুর পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম এ কথা জানান। ভূমিকম্প ছাড়াও পুরান ঢাকায় এমন দুর্ঘটনা অহরহ ঘটতে পারে এমন ভবন আছে বলে জানান তিনি।
দুর্ঘটনা ঘটার আগে থেকে পরিকল্পনা ছাড়া ভবন নির্মাণের বিষয়ে রাজউক কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পুরান ঢাকায় আমরা কিছু কাজ করতে চাই। কীভাবে বাড়িগুলোকে নিরাপদ করা যায় সেই কাজও প্রক্রিয়াধীন। দুর্ঘটনা ঘটার আগে থেকে আমরা কাজ করছি।’
এমন দুর্ঘটনা এড়াতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা রেট্রোফিটিংয়ের কাজ করছি। এর সঙ্গে আগের বাড়িগুলো ভেঙ্গে নতুন করে বাড়ি তৈরি করা গেলেও এসব দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।’
এ সময় পুরাতন বাড়ি ভাঙলে যে ক্ষতি হবে তার থেকে নতুন বাড়ি বানালে বাড়িওয়ালারা বেশি লাভবান হবেন বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
রাজউকের অধীনে কতগুলো ক্ষতিগ্রস্থ ও অনুমোদনহীন বাড়িঘর আছে, এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, কিছু জটিলতার কারণে এটার সঠিক তথ্য নেই।
তবে পরিকল্পিত এলাকা যেমন পূর্বাচল, গুলশান, বনানী, উত্তরা, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের মতো এলাকাগুলোর ৮০ শতাংশ বাড়ি প্ল্যানিংয়ের মধ্যে আছে জানান তিনি।
এর আগে শুক্রবার ভূমিকম্পে পুরান ঢাকার বংশালের কসাইটুলিতে আটতলা ভবনের রেলিং ধসে পড়ে তিন পথচারী নিহত হন। ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে সারাদেশে প্রাণ হারান ১০ জন।


