ভাসানচরের আশ্রয়শিবির থেকে পালানো ৩৭ রোহিঙ্গাকে সন্দ্বীপে আটক করেছে নৌবাহিনী ও পুলিশ। শুক্রবার রাতে যৌথ অভিযানে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
এর আগে, রাত সাড়ে ১১টার দিকে সন্তোষপুরে ইলিশের ঘাট এলাকায় কয়েকজন রোহিঙ্গাকে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেন। পরে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন।
আটককৃতদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ২৩ জন শিশু-কিশোর রয়েছে।
আটক রোহিঙ্গারা জানায়, পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে দালালদের মাধ্যমে তাদের সীতাকুণ্ড উপকূলে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। গত মঙ্গলবার তারা ভাসানচরের আশ্রয়শিবির থেকে বের হয়ে প্রথমে প্যারাবনে লুকিয়ে থাকে। সেখানে একদিন থাকার পর বুধবার রাতে সীতাকুণ্ডের উদ্দেশ্যে একটি ছোট নৌকায় ওঠে।
তবে নৌকাটি তীরের কাছাকাছি গিয়ে ডুবে গেলে পরে তাদের অন্য একটি নৌকায় তোলা হয়। কিন্তু সীতাকুণ্ড পৌঁছানোর আগেই সেই নৌকার জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। এতে টানা তিন দিন সাগরে ভেসে থাকার পর দালালরা তাদের সন্দ্বীপ ঘাট এলাকায় নামিয়ে দেয়।
রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, পথে দালালরা তাদের কাছ থেকে টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়।
সন্দ্বীপ থানার ওসি জাহেদ নূর জানান, আটক রোহিঙ্গাদের রাতে সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের আবার ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে পাঠানো হবে।


