বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের (এমপি) নির্বাচনী এলাকার জন্য প্রায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার জাতীয় সংসদে এ কথা জানান তিনি।
এদিন অধিবেশনে মির্জা ফখরুল একটি বিবৃতি দেন। তিনি রোববার অধিবেশনের শেষের দিকে বিবৃতি দিতে চেয়েছিলেন। তবে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলার সুযোগ না পেয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট করলে তিনি বলেছিলেন সোমবার বিবৃতিটি দেবেন।
বিবৃতিতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বিরোধী দলের সদস্যদের আসনগুলোতে (সিটি করপোরেশন বাদ দিয়ে) প্রায় ২০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছেন। মসজিদ, গোরস্তান, ঈদগাহর জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এ সময় কিছু বলা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে। সিটি করপোরেশনগুলোতে পরবর্তীতে হবে।
৪০ বছর সংসদে কাটিয়েছি, কানাকড়িও পাইনি: স্পিকার
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণার পর স্পিকার বলেন, ‘৪০ বছর আমিও এই সংসদে কাটিয়েছি। বিরোধী দলেরও সদস্য ছিলাম। একটি কানাকড়িও কোনোদিন পাইনি। পাঁচবার গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গিয়েছি। এটুকুই পেয়েছি। প্রাপ্তিযোগ অন্য কিছু হয়নি।’
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘তিনি বাজেট আলোচনায় দেশের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন। তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তিনি এক ঘণ্টা বলেছেন দেশের বিভিন্ন সমস্যার ওপর, বাজেট বিষয়ে আলোকপাত করেছেন।’
শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ভোলার সমস্যার কথাও উঠে এসেছে জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘সভাপতির আসনে বসে নিজের নির্বাচনী এলাকার সমস্যা আমি তুলতে ধরতে পারি না। সেটি তিনি অনুগ্রহ করে জাতির উদ্দেশে তুলে ধরেছেন।’
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘সুবিচার’ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।


