পার্বত্য জেলা কাপ্তাই লেকের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় সোমবার বিকাল ৩টায় খুলে দেওয়া হচ্ছে ১৬টি জলকপাট। টানা বর্ষণ ও উজানের পানির চাপে লেকের পানি ৩৩.৫ মিটার (১১০ ফুট) পর্যন্ত উঠে যায়, যা বিপদসীমা ৩২ মিটার (১০৫ ফুট)-এর চেয়ে অনেক বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জরুরি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এর ফলে রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘দুর্যোগ এড়াতে নিয়ন্ত্রিতভাবে পানি ছাড়ার বিকল্প নেই। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের টিম কাজ করছে।’
জানা গেছে, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ওপর চাপ কমাতে কাপ্তাই হাইড্রোইলেকট্রিক প্ল্যান্টের উৎপাদন আংশিক কমিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে সর্তকতা জারি করেছে এবং আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে। প্রকৌশলীরা বাঁধের অবকাঠামোগত নিরাপত্তা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
পাউবো জানায়, পানিবন্দি এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। লেক সংলগ্ন মাছ ধরা ও পর্যটন কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।
পরিস্থিতির পরবর্তী হালনাগাদ তথ্য এ দিন বিকেলে জানানো হবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার ও প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।


