করপোরেট সুশাসন বিশেষজ্ঞ হোসেন সাদাত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন।
এর মধ্য দিয়ে দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির কমিশনারদের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো সম্পন্ন হলো, যখন সংস্থাটি বাজার তদারকি জোরদার, সংস্কার এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
মঙ্গলবার বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসইসি আইন, ১৯৯৩-এর আওতায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সরকারি অনুমোদনক্রমে হোসেন সাদাতকে চার বছরের জন্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন সোমবার জারি করা হয় এবং তিনি মঙ্গলবার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তার নিয়োগের মাধ্যমে কমিশনের শূন্য থাকা শেষ পদটিও পূরণ হয়েছে। ফলে চলমান বাজার সংস্কার, করপোরেট সুশাসন শক্তিশালীকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রমে বিএসইসি পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব নিয়ে কাজ করতে পারবে।
হোসেন সাদাত একজন ফেলো চার্টার্ড সেক্রেটারি। করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক কৌশল, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও করপোরেট যোগাযোগে তার প্রায় তিন দশকের পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। টেলিযোগাযোগ, তেল ও গ্যাস এবং নিরীক্ষা খাতে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
সর্বশেষ তিনি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)-এর সভাপতি ছিলেন। এর আগে গ্রামীণফোন, শেল অয়েল অ্যান্ড গ্যাস, কেয়ার্ন এনার্জি এবং রহমান রহমান হক (কেপিএমজি বাংলাদেশ)-এ বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম), করপোরেট সেক্রেটারিজ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন (সিএসআইএ) এবং আইসিএসবির বিভিন্ন বোর্ড ও কাউন্সিলের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে নির্বাহী পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণও নিয়েছেন।
বিএসইসি আশা প্রকাশ করেছে, পুঁজিবাজার, করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বিষয়ে হোসেন সাদাতের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কমিশনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও আধুনিক করতে সহায়ক হবে।


