শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে বিএনসিসির কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় ও বিস্তৃত করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকাসক্তি, পড়াশোনায় অনাগ্রহ এবং ঝরে পড়ার প্রবণতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বিএনসিসির মতো সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও বিস্তৃত করতে হবে।’
এজন্য বিএনসিসির কার্যক্রমকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বগুণ, দেশপ্রেম ও নৈতিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বিএনসিসি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং এটি দেশের একটি কার্যকর ‘ডিফেন্স লাইন’ হিসেবেও কাজ করতে সক্ষম।
সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় বিএনসিসির কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন মন্ত্রী। এ সময় কয়েকটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে বিএনসিসির কার্যক্রম বিস্তৃত করে তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। পাইলট প্রকল্প সফল হলে পরবর্তীতে এই মডেল সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় বিএনসিসির প্রতিনিধিরা জানান, বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ব্যবহার করে স্বল্প ব্যয়েই দেশব্যাপী বিএনসিসির কার্যক্রম বিস্তারের সুযোগ রয়েছে।


