বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) ঘোষিত সে ইশতেহারে বিনোদন ও সংস্কৃতিকে পঞ্চম ও শেষ অধ্যায়ে রেখেছে দলটি। সেখানে কী রয়েছে তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে সাধারণ মানুষের।
ইশতেহারে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, অনৈতিক আকাশ-সংস্কৃতি ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জাতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ সঙ্গীত, নৃত্যকলা, নাটক, সাহিত্য ও চলচ্চিত্রসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখাকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বহির্বিশ্বের শুভ ও কল্যাণময় উপাদানগুলো জাতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সমন্বয়ের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।
বিএনপির ইশতেহারে জাতীয় ভাবধারাপন্থী ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। জাতীয় ভাবধারার পরিপন্থী অপসংস্কৃতি চর্চাকে নিরুৎসাহিত করা হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশে সব ধরনের বাধা অপসারণ এবং সংস্কৃতির মাধ্যমে স্বাধীন চিন্তা ও মতাদর্শের সুষ্ঠু প্রতিফলন নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
সুস্থ সংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চার পরিবেশ গঠনের লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির প্রতিশ্রুতিও রয়েছে ইশতেহারে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে সংস্কৃতিচর্চা ও সৃজনশীল বিনোদনের ক্ষেত্র বিস্তারে এই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
সংস্কৃতি অঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতির ক্ষেত্রেও নতুন পরিকল্পনার কথা জানায় বিএনপি। জাতীয় সংস্কৃতির প্রধান প্রধান ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পদক প্রদানের রীতি আরও সম্প্রসারিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়, বিএনপির হাত ধরেই বাংলাদেশে স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদকের মতো জাতীয় পুরস্কারের প্রবর্তন হয়েছিল।
এছাড়া শিশু-কিশোরদের বিনোদন ও বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শো’ চালু করার কথাও ইশতেহার ঘোষণায় তুলে ধরেন তারেক রহমান।


