বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এর অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে সংসদকে স্পষ্ট জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক পয়েন্ট অব অর্ডারের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বার কাউন্সিলের নির্বাচন পেছানোর পেছনে বিদ্যুৎ সংকট বা রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না, তা জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী সেই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দেন।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, ঢাকা বারসহ দেশের বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধের প্রেক্ষিতেই বার কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মন্ত্রী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, ঢাকা বার এশিয়ার বৃহত্তম বার এবং সেখানকার ২২ হাজারের বেশি আইনজীবীর নিজস্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া সামনে থাকায় তারা সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন। বার কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে তাদের সেই যৌক্তিক অনুরোধ বিবেচনা করেছে মাত্র।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, প্যান্ডেমিক বা ‘অ্যাক্ট অব গড’ ছাড়াও আইনের মধ্যে থাকা ‘অন্য যে কোনো যুক্তিসংগত কারণ’ বিবেচনা করেই বার কাউন্সিল তাদের মেধা ও প্রজ্ঞা খাটিয়ে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং সরকার চায় একটি স্বাভাবিক ও নির্ঝঞ্ঝাট পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। জ্বালানি সংকট বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি এখানে অবান্তর।


