দেশের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য বড় ধরনের স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট।
প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য ২১ ধরনের সহায়ক সরঞ্জাম বা স্পেশাল অ্যাসিসটিভ ডিভাইস আমদানিতে সব ধরনের কর সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তৃতায় এই প্রস্তাব পেশ করেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের স্বাধীন চলাচলের জন্য সহায়ক ২১ ধরনের স্পেশাল অ্যাসিসটিভ ডিভাইস আমদানিতে সমূদয় আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর সম্পূর্ণ অব্যাহতির প্রস্তাব করছি।
এদিকে এরইমধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীসেবায় নতুন সুবিধা যুক্ত হয়েছে। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিক এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ট্রেনের ভাড়ায় বিশেষ ছাড় দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী যাত্রীরা ট্রেনের টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভাড়ার ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন। একইসঙ্গে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্যও একই হারে ভাড়া ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য অনুযায়ী বয়স নির্ধারণ করা হবে।
অন্যদিকে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক হবে।


