দেশের বনের গাছ চুরি ও অন্যান্য সম্পদের অবৈধ পাচার প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির ব্যবস্থা করার হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি বলেন, ‘স্যাটেলাইট ইমেজ, ড্রোন প্রযুক্তি ও আধুনিক তথ্য উপাত্ত ব্যবহার করে দেশের বন পর্যবেক্ষণের কার্যক্রম অচিরেই শুরু হবে।’
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রেমা-কালেঙ্গা সংরক্ষিত বনের অনলাইন মনিটরিং বিষয়ক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
রিজওয়ানা জানান, রেমা-কালেঙ্গা, সাতছড়ি ও লাথিতিলা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ২০১৫, ২০২০ এবং ২০২৫ সালের স্যাটেলাইট চিত্র বাংলাদেশ স্পেস রিসার্চ অ্যান্ড রিমোট সেন্সিং অর্গানাইজেশন (স্পারসো)-এর সহায়তায় বিশ্লেষণ করা হবে, যাতে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন শনাক্ত করা যায়।
এছাড়া ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে উচ্চ রেজোলিউশনের ছবি সংগ্রহ করা হবে এবং বাংলাদেশ সার্ভে বিভাগের সহায়তায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ড্রোন ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও এসময় উল্লেখ করেন তিনি।
শিগগিরই বন অধিদপ্তর রেমা-কালেঙ্গা সংরক্ষিত বনের মাদার ট্রি জরিপ ও নম্বর দেওয়ার কাজ শুরু করবে। সুফল প্রকল্পে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মচারীরা এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন বলেও সভা থেকে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘দেশের বনকে প্রযুক্তি নির্ভর নজরদারির আওতায় আনতে বন অধিদপ্তরের সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সমাধান দেওয়া হবে। এ কাজে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সহায়তা এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়োজিত করা হবে।’
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. রকিবুল হাসান মুকুলসহ মন্ত্রণালয়, বন অধিদপ্তর ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


