ফেনী পৌর মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে জেলি পুশ করা ১০৫ কেজি গলদা ও বাগদা চিংড়ি জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
একই সঙ্গে চিংড়ির ওজন বাড়ানো ও কৃত্রিমভাবে গ্রেড পরিবর্তনের অভিযোগে তিনটি মৎস্য আড়তকে মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলা প্রশাসন, ফেনী সদর ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ফেনী সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আক্তার।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০ বাস্তবায়নে ফেনী পৌর মৎস্য আড়তে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তিনটি প্রতিষ্ঠানে চিংড়িতে ক্ষতিকর জেলি পুশ করে ওজন বাড়ানো এবং কৃত্রিমভাবে গ্রেড পরিবর্তনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযানে বেলাল ফিশিং থেকে ৫৬ কেজি জেলি পুশ করা চিংড়ি জব্দ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আল্লাহর দান ফিশিং থেকে ২৪ কেজি চিংড়ি জব্দ করে ২০ হাজার টাকা এবং এরফান ফিশিং থেকে ২৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা ১০৫ কেজি চিংড়ি জনসম্মুখে ধ্বংস করে মাটিতে পুতে ফেলা হয়।
অভিযান চলাকালে মৎস্য ব্যবসায়ী, আড়তদার ও ক্রেতাদের জেলিযুক্ত চিংড়ি বিক্রি এবং কৃত্রিম উপায়ে চিংড়ির ওজন ও গ্রেড বাড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে জেলি বা কেমিক্যাল মিশ্রিত চিংড়ি খাওয়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে তাদের সচেতন করা হয়।
অভিযানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মিরাজুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পরশুরাম সৈয়দ মোস্তফা জামান, জেলা মৎস্য দপ্তরের প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, মৎস্য আড়ত সমিতির সদস্য ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।


