গাজীপুরর টঙ্গীতে রাসায়নিক গুদামে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মী শামীম আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করার খবরটি নেত্রকোনার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর সঙ্গেই শোকের ছায়া নেমে আসে।
মঙ্গলবার শামীম আহমেদের মৃত্যুর খবর পায় তার পরিবার। কিছুতেই এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তার পরিবারের সদস্যরা। তার মৃত্যুতে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের রায়পুর-পিজাহাটি গ্রামে শোকের মাতম চলছে।
শামীম আহমেদ ২০০৪ সালের ১৬ আগস্ট ফায়ার সার্ভিসে যোগদান করেছিলেন এবং তিনি টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসে ফাইটার পদে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও তিন সন্তান রেখে গেছেন।
সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী সাহারা মার্কেটের রাসায়নিক গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য ফায়ার সার্ভিসের চারজন কর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে শামীম আহমেদ ছিলেন সবচেয়ে বেশি দগ্ধ। তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে মারা যান।
এদিকে, নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি হাফিজুর রহমান জানান, শামীম আহমেদের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালেই রয়েছে। সেখানে জানাজার পর মরদেহ ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে নেওয়া হবে এবং পরে গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা কেন্দুয়ায় নিয়ে আসা হবে।


