দুর্গাপূজার এখনো দুই সপ্তাহের বেশি সময় বাকি। এরই মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের মার্কেটগুলোতে শুরু হয়েছে জমজমাট কেনাকাটা। বিশেষ করে পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষ পছন্দের পোশাক ও পূজার প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ছুটছেন বিপণিকেন্দ্রগুলোতে।
শনিবার শহরের নিউমার্কেট, শহীদ সাটু কমপ্লেক্স মার্কেট, ক্লাব সুপার মার্কেট, সেন্টু মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণিকেন্দ্র ঘুরে ক্রেতাদের এমন ভিড় দেখা গেছে।
পূজা উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা দোকানে তুলেছেন নতুন নকশা ও বৈচিত্র্যের পোশাক। নারী, পুরুষ, শিশু ও বয়স্কদের কথা মাথায় রেখে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন ধরনের পোশাকের সংগ্রহ।
ব্যবসায়ীরা জানান, কয়েক দিন আগে থেকেই পূজার কেনাকাটা শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে বিক্রি বেড়েছে। তরুণ-তরুণীদের পাশাপাশি শিশু ও বয়স্কদের পোশাকও বিক্রি হচ্ছে ভালো।
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একসঙ্গে কেনাকাটা করতে আসছেন অনেকে। পোশাকের পাশাপাশি পূজার সাজসজ্জার সামগ্রীর দোকানেও বেড়েছে বেচাকেনা। মেয়েদের জুয়েলারি, সিঁদুর, চুড়ি, জুতা ও স্যান্ডেলের চাহিদা বেশি বলে জানান বিক্রেতারা।
দোকানিরা বলছেন, একই বিপণিকেন্দ্রে পোশাকসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী পাওয়া যাওয়ায় ক্রেতাদের সময় ও খরচ দুটোই কমছে। ফলে এক জায়গা থেকেই বেশির ভাগ কেনাকাটা করছেন তারা।
শহীদ সাটু কমপ্লেক্স মার্কেটের ফ্যাশন গ্যালারির স্বত্বাধিকারী পলাশ সিংহ বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও পূজাকে সামনে রেখে সব বয়সী ক্রেতার কথা বিবেচনা করে পোশাকের সংগ্রহ রাখা হয়েছে। মেয়েরা সালোয়ার-কামিজ এবং ছেলেরা পাঞ্জাবি, ফতুয়া, প্যান্ট-শার্ট ও টি-শার্ট কিনছেন। গত সপ্তাহের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে।’
ক্রেতারা জানান, দুর্গাপূজায় পরিবারের সদস্যদের জন্য নতুন পোশাক কিনতেই তারা মার্কেটে এসেছেন। পোশাকের নকশা ও মানের পাশাপাশি দামও বিবেচনা করছেন। অধিকাংশ দোকানে পোশাকের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তারা।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, পূজার দিন যত ঘনিয়ে আসবে কেনাকাটার চাপ তত বাড়বে। শেষ সময়ে মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় কয়েক গুণ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।


