দিনাজপুরের পার্বতীপুরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বাবলি আক্তার (২৬) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী মো. রাজুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাজুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বুধবার উপজেলার সাহেবপাড়া (তেঁতুলতলা) এলাকায় বাবলির মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পার্বতীপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় বাবলির মামা মো. আতিকুর রহমান বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার পার্বতীপুর রেলওয়ে থানায় মামলা করেন।
মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, বাবলি ও রাজু দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করে আসছিলেন। প্রায় দুই বছর ধরে পার্শ্ববর্তী এলাকার কাঞ্চি (২২) নামে এক নারীর সঙ্গে রাজুর প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, এরই ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে যেকোনো সময় রাজু বালিশ চাপা দিয়ে বাবলিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে তাকে ল্যাম্ব হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ মামলার এজাহারে বাদীপক্ষের বক্তব্য। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হবে।
পুলিশ ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, বাবলিকে ল্যাম্ব হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহ দেখা দিলে রেলওয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
পার্বতীপুর রেলওয়ে থানা সূত্র জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রাজুকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর বাবলি আক্তারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততা থাকলে তা স্পষ্ট হবে।


