‘নৌপথের ঐতিহ্য ও জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার’

‘নৌপথের ঐতিহ্য ও জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার’
চাঁদপুর নদী বন্দর পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান
Advertisement
Advertisement

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেছেন, নৌপথের হারানো ঐতিহ্য ও জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে নৌপথকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

রোববার দুপুরে চাঁদপুর নদী বন্দর পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ফেরিঘাট ও নদীবন্দরগুলোতে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে।

তিনি জানান, বড় বড় ঘাটে নিবিড় নজরদারি অব্যাহত রয়েছে, যাতে যাত্রীদের কোনো ধরনের ভোগান্তির মুখোমুখি হতে না হয়। ঘাট ও নৌপথে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

চাঁদপুর আধুনিক নৌ টার্মিনালের নির্মাণকাজ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটির কিছু অংশের কাজ শেষ হলেও ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রাখায় অবশিষ্ট কাজ থমকে আছে। দ্রুত নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, “চাঁদপুর আধুনিক নৌ টার্মিনালের কাজ শেষ হলে নদীবন্দরটি তার হারানো ঐতিহ্য ও গুরুত্ব পুনরুদ্ধার করবে এবং যাত্রীসেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।”

নৌপথে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌপথ সচল ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ড্রেজিং কার্যক্রম জোরদার করা হবে। পাশাপাশি দেশের নৌবন্দরগুলোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, পন্টুন আধুনিকায়ন, নিয়মিত ড্রেজিং এবং নৌ অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে নৌপথকে আরও কার্যকর ও যাত্রীবান্ধব করা হবে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চগতির ও আধুনিক নৌযান পরিচালনার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা, চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সেলিম উল্লাহ সেলিমসহ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad