কিশোরগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কারণে নিহত দুই কর্মীর পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।
শনিবার জেলার ইটনা উপজেলার শিমুলবাক ও নিকলী উপজেলার ছাতিরচর এলাকায় নিহত দুই কর্মীর কবর জিয়ারত করেন তিনি। এ সময় তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘কিছু মানুষ বিশেষ মৌসুমে গরিবদের সঙ্গে হাত মেলান, পরে আড়ালে গিয়ে রুমাল বা টিস্যু দিয়ে হাত মুছে ফেলেন। কিন্তু আমি গরিব মানুষের সেই হাতের ঘামই নিজের মুখে মুছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৯ জুলাই আমার চলে যাওয়ার কথা ছিল। এই রকম বহু মানুষ বক্তব্য দিতে দিতে মারা যান। এরপরে তাকে গোসল করিয়ে সাদা কাপড় দিয়ে মোড়ানো হয়। কিন্তু আল্লাহ এখনো আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।’
গত ৩ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুস ছালাম নামে এক কর্মী নিহত হন এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ইটনা উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে জামায়াতের আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় যাওয়ার পথে স্ট্রোক করে শাহ আলম নামে এক সমর্থক মারা যান। এই দুইজনের পরিবারের খোঁজ নিতে এবং কবর জিয়ারত করতে কিশোরগঞ্জ যান জামায়াত আমির।
শফিকুর রহমান নিহতদের পরিবারের সব দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি এলাকার সব মানুষকে পরিবার দুটির পাশে থাকার আহ্বান জানান।
এ সময় জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক রমজান আলীসহ জেলা জামায়াতের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


