রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ। নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘১৪৩টি দল আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ২২টি দলের তথ্য মাঠে পর্যালোচনা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি দল—জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
এনসিপির প্রতীক নিয়ে একটি জটিলতা রয়েছে। তারা যে প্রতীক চেয়েছেন, সেটি প্রতীক সংক্রান্ত বিধিমালার তফসিলে নেই। এজন্য আমরা তাদেরকে চিঠি দেব। এরপর তারা নতুন প্রতীক প্রস্তাব করলে সে অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। অপরদিকে, বাংলাদেশ জাতীয় লীগের প্রতীক নিয়ে কোনো জটিলতা নেই, যোগ করেন তিনি।
ইসি সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির বিষয়ে আদালতের রায় রয়েছে। তারা নিবন্ধনযোগ্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘তিনটি রাজনৈতিক দল ইসির পর্যবেক্ষণে রয়েছে। এগুলো হলো—বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি, জাতীয় জনতা পার্টি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ-শাহজাহান সিরাজ)।’
ইসি সচিব বলেন, ‘৯টি দলের কার্যকারিতার বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করা হবে। সেগুলো হলো—আমজনতার দল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি (বিজিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, জনতার দল, মৌলিক বাংলা, জনতা পার্টি বাংলাদেশ। সুতরাং ১২টি দলের বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে।’
এদিকে, মাঠপর্যায়ে তদন্তকৃত ২২টি দলের মধ্যে ৭টি দলকে বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। দলগুলো হলো—ফরোয়ার্ড পার্টি, বাংলাদেশ সংস্কারবাদী পার্টি (বিআরপি), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-সিপিবি এম), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ বেকার সমাজ (বাবেস), বাংলাদেশ সলুশন পার্টি এবং নতুন বাংলাদেশ পার্টি।


