শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ না হলে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভায় এ কথা বলেন তিনি।
তিনি নাসা গ্রুপের প্রতিনিধিদের আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মালিক নজরুল ইসলাম মজুমদারের কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করতে বলেন। অন্যথায়, মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তার পরিবারের সদস্যদের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে।
এ ছাড়া সভায় নাসা গ্রুপের মালিক নজরুল ইসলাম মজুমদার, তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির তথ্য উঠে আসে। এসব সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে:
১. গুলশান-১ এ দুটি ১২ তলা বিল্ডিং (ব্যাংক বিল্ডিং)
২. ৩০০ ফিট এলাকায় ২ বিঘা জমি
৩. সেক্টর-১৭, জলসিঁড়িতে একটি কাঁচা মার্কেট
৪. মেঘনা ঘাটে একটি ওয়্যার হাউস এবং পেট্রোল পাম্প
৫. ঠাকুরগাঁওয়ে ৩০০ বিঘা জমি
৬. দুবাইয়ে খেজুর বাগান এবং রিসোর্ট
৭. চাঁদপুরে বিশাল একটি মার্কেট
৮. উত্তরা এবং গুলশান এলাকায় একাধিক প্লট
৯. মহাখালী ডিওএইচএস এর মসজিদের পাশে ১০ কাঠা জমির ওপর বাসা
১০. বিভিন্ন শিল্প এলাকায় ২০টি প্লট এবং হাসপাতালসহ ২ দশমিক ৫ বিঘা জমি
এ ছাড়া, নাসা গ্রুপের মালিকের নামে আরও অনেক সম্পত্তি রয়েছে, যা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আব্দুল হাফিজ, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা, বিজিএমইএ-এর সভাপতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামি ব্যাংকের প্রতিনিধিরা।


