দেশের বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের প্রতিভাকে কীভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা যায় সেই পরিকল্পনার কাজে সরকার হাত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ইমাম-মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।
পাইলটিং কার্যক্রমের প্রথম পর্যায়ে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের প্রধানরা মাসিক সম্মানি পাওয়া শুরু করলেন। পর্যায়ে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভূক্ত করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সরকারের এসব উদ্যোগের কারণ হলো নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করে গড়ে তোলা।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি, এক কাতারে বসেছি। এটিই আমাদের বাংলাদেশের আবহমান কালের ঐতিহ্য। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান আমরা সবাই মিলে একটি শান্তিময়, শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ একসাথে। সকলের জন্য আমরা গড়ে তুলবো নিরাপদ রাষ্ট্র, নিরাপদ সমাজ। যা প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষের কাম্য।’
প্রতিটি ধর্মের মানুষ যেন দেশে শান্তিতে বসবাস করতে পারে সেই প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাইকে একসাথে নিয়ে যেন আমরা দেশ গড়ে তুলতে পারি। এই হোক আমাদের শপথ।’


